নেগেটিভ মার্কিং কী ও নম্বর কীভাবে হিসাব করবেন
সর্বশেষ হালনাগাদ: পড়তে লাগবে প্রায় ২ মিনিট
নেগেটিভ মার্কিং মানে ভুল উত্তরের জন্য নম্বর কেটে নেওয়া। BCS প্রিলিমিনারি, ব্যাংক ও অনেক নিয়োগ পরীক্ষায় এই নিয়ম থাকে। তাই কতগুলো প্রশ্নের উত্তর দেবেন, তা ঠিক করতে নিজের সম্ভাব্য নম্বর জানা জরুরি।
নেগেটিভ মার্ক ক্যালকুলেটর ব্যবহার করুন →সূত্র
নম্বর = সঠিক উত্তর − (ভুল উত্তর × প্রতি ভুলের কর্তন)। এখানে সঠিক উত্তর = উত্তর দেওয়া প্রশ্ন − ভুল উত্তর। উত্তর না দেওয়া প্রশ্নে নম্বর কাটে না।
BCS প্রিলিমিনারি ২০০ নম্বরের MCQ, সময় ২ ঘণ্টা, প্রতিটি ভুলে ০.৫০ নম্বর কাটা যায়।
উদাহরণ
২০০ প্রশ্নের মধ্যে ১৬০টির উত্তর দিলেন, এর মধ্যে ৩০টি ভুল। সঠিক = ১৩০। কর্তন = ৩০ × ০.৫০ = ১৫। চূড়ান্ত নম্বর = ১৩০ − ১৫ = ১১৫।
কৌশল
- দুটি অপশনের মধ্যে সত্যিই দ্বিধা থাকলে উত্তর দেওয়ার ঝুঁকি কম; একেবারে না জানলে ছেড়ে দেওয়াই ভালো।
- কাট-মার্ক জানা থাকলে ক্যালকুলেটরে দিন — পাস করছেন কিনা সঙ্গে সঙ্গে দেখাবে।
কতটা ঝুঁকি নেওয়া যায় — হিসাব দিয়ে বোঝা
৪ অপশনের প্রশ্নে পুরো অনুমানে উত্তর দিলে সঠিক হওয়ার সম্ভাবনা ১/৪। ০.৫০ কর্তনে গড় লাভ = ১/৪ × ১ − ৩/৪ × ০.৫০ = −০.১২৫, অর্থাৎ অন্ধ অনুমানে গড়ে নম্বর কমে। দুটি অপশন বাদ দিতে পারলে সম্ভাবনা ১/২, গড় লাভ = ০.৫০ − ০.২৫ = +০.২৫ — তখন উত্তর দেওয়া লাভজনক।
ধাপে ধাপে
- নেগেটিভ মার্ক ক্যালকুলেটর খুলুন।
- মোট প্রশ্ন, উত্তর দেওয়া প্রশ্ন ও ভুল উত্তরের সংখ্যা দিন।
- প্রতি ভুলের কর্তন দিন (BCS-এ ০.৫০)।
- চাইলে কাট-মার্ক দিয়ে পাস-ফেল দেখুন।
সচরাচর জিজ্ঞাসা
সব পরীক্ষায় কি ০.৫০ কাটে?
না। কর্তনের হার প্রতিটি পরীক্ষার বিজ্ঞপ্তিতে দেওয়া থাকে — সেটিই দিন।
উত্তর না দিলে কি নম্বর কাটে?
না। নম্বর কাটে শুধু ভুল উত্তরে; ফাঁকা রাখা প্রশ্নে শূন্য।
ব্যাংকের পরীক্ষায় কত কাটে?
প্রতিটি নিয়োগ বিজ্ঞপ্তিতে আলাদা; ক্যালকুলেটরে বিজ্ঞপ্তির কর্তন দিয়ে হিসাব করুন।
পড়া হয়ে গেলে এখনই চেষ্টা করুন — সম্পূর্ণ ফ্রি, কোনো রেজিস্ট্রেশন নেই।
নেগেটিভ মার্ক ক্যালকুলেটর খুলুন →