মূল কনটেন্টে যান / Skip to content

বাংলাদেশের পোস্ট কোড কিভাবে বের করবেন

সর্বশেষ হালনাগাদ: পড়তে লাগবে প্রায় ২ মিনিট

চাকরির আবেদন, ব্যাংক অ্যাকাউন্ট বা অনলাইন অর্ডারে ঠিকানার সঙ্গে পোস্ট কোড লাগে। বাংলাদেশের পোস্ট কোড ৪ অঙ্কের, আর প্রতিটি পোস্ট অফিসের নিজস্ব কোড থাকে।

পোস্ট কোড ফাইন্ডার ব্যবহার করুন →

পোস্ট কোডের গঠন

  • ৪ অঙ্কের সংখ্যা — যেমন ঢাকা জিপিও ১০০০।
  • একই থানায় একাধিক পোস্ট অফিস থাকলে কোডও আলাদা হতে পারে; আপনার ঠিকানার নিকটতম পোস্ট অফিসের কোড দিন।
  • ফাইন্ডারে ৬৪ জেলার ৯,৭৬০টি রেফারেন্স রেকর্ড আছে।

ঠিকানায় পোস্ট কোড লেখার নিয়ম

  • ক্রম: নাম, গ্রাম/বাড়ি ও রাস্তা, ডাকঘর, থানা/উপজেলা, জেলা — তারপর পোস্ট কোড।
  • পোস্ট কোড আপনার ডাকঘরের, তাই ডাকঘরের নামের সঙ্গে মিলিয়ে লিখুন।
  • উদাহরণ: ঢাকা জিপিও — ১০০০।

কোথায় পোস্ট কোড লাগে

  • চাকরি ও ভর্তির আবেদনে স্থায়ী ও বর্তমান ঠিকানা।
  • ব্যাংক অ্যাকাউন্ট, পাসপোর্ট ও অনলাইন কেনাকাটার ঠিকানা।
  • চিঠি ও পার্সেল দ্রুত পৌঁছানোর জন্য।

ধাপে ধাপে

  1. পোস্ট কোড ফাইন্ডার খুলুন।
  2. পোস্ট অফিস, থানা বা জেলার নাম (বাংলা বা ইংরেজিতে) লিখুন।
  3. ফল থেকে আপনার পোস্ট অফিসের কোড বেছে নিন।
  4. আবেদনের আগে কোডটি আপনার নিকটস্থ পোস্ট অফিসের সঙ্গে মিলিয়ে নিন।

সচরাচর জিজ্ঞাসা

আমার গ্রামের নাম দিয়ে কেন পাই না?

পোস্ট কোড পোস্ট অফিসভিত্তিক; গ্রামের নিকটতম পোস্ট অফিস বা ইউনিয়নের নাম দিয়ে খুঁজুন।

বাংলায় লিখে কি খোঁজা যায়?

জেলা ও উপজেলার নাম বাংলায় লিখেও খোঁজা যায়। পোস্ট অফিসের নাম তালিকায় ইংরেজিতে আছে, তাই সেটি ইংরেজিতে লিখুন।

ঢাকার পোস্ট কোড কত?

ঢাকায় এলাকাভেদে অনেক কোড আছে; ঢাকা জিপিও ১০০০। নিজের এলাকার পোস্ট অফিসের নাম দিয়ে খুঁজুন।

পড়া হয়ে গেলে এখনই চেষ্টা করুন — সম্পূর্ণ ফ্রি, কোনো রেজিস্ট্রেশন নেই।

পোস্ট কোড ফাইন্ডার খুলুন →

আরও গাইড